1. sufalcse55@gmail.com : Sufal Kumar : Sufal Kumar
  2. admin@worldvoice24.com : World Voice24 : World Voice24
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
Tue, 16 July 2024, 12:09 AM

স্থগিত হয়ে থাকা ইউপিতে ভোটের তারিখ দিতে বিবেচনায় তৃণমূল করোনা পরিস্থিতি !

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

বিবেক।। দেড় শতাধিক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও নয়টি পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করে রাখলেও সহসাই নতুন করে ভোটের তারিখ দেয়ার কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে কোন জেলায় করোনা পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হলো, তার ওপর নির্ভর করবে নির্বাচন।

ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, লকডাউন উঠে যাওয়ায় স্থগিত নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এছাড়া যেসব স্থানীয় সরকার ও জাতীয় সংসদের আসন নির্বাচন উপযোগী, সে সবের কার্যক্রমও হাতে নিতে চায় কমিশন। এজন্য আগামী ২৩ আগস্ট কমিশনের ৮৪তম বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে।

ইসি’র নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার তথ্যানুযায়ী, দেশের ছয়টি জেলার ১৬৭টি ইউপি এবং নয়টি পৌরসভার ভোট করোনা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় স্থগিত করা হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট জেলার ইউপিগুলো এবং পৌরসভায় ভোট নিতে চায় ইসি।

ইউপি’র ভোটগুলো প্রথম ধাপে গত ২১ জুন হওয়ার কথা ছিল। ওইদিন ষষ্ঠ ধাপের পৌরসভা নির্বাচনের অংশ হিসেবে নয়টি পৌরসভার ভোট হওয়ারও কথা ছিল।

ইউপিগুলোর মধ্যে খুলনা জেলার কয়রা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, দিঘলিয়া ও পাইকগাছা উপজেলার ৩৫টি ইউপি; বাগেরহাট জেলার সদর, শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ, মোংলা, রামপাল, কচুয়া, চিতলমারী, মোল্লাহাট ও ফকিরহাট উপজেলার ৭০টি ইউপি; সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া ও তালা উপজেলার ২১টি ইউপি; নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর ও হাতিয়ার ১৩টি ইউপি; চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপের ১৩টি ইউপি এবং কক্সবাজার জেলার মহেশখালী, কুতুবদীয়া, পেকুয়া ও টেকনাফের ১৫টি ইউপি। আর পৌরসভাগুলো হলো- লাঙ্গলকোট, ভাঙ্গা, চকরিয়া, সোনাগজী, কবিরহাট, মহেশখালী, দেবীগঞ্জ, যশোর সদর পৌরসভা ও অভয়নগরের নোয়াপাড়া পৌরসভা।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, আপাতত স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনগুলোই সম্পন্ন করতে চায় কমিশন। দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ এবং কুমিল্লা-৭ আসনের উপ-নির্বাচন পরে করার পক্ষে সংস্থাটি। এসব বিবেচনায় নিয়েই কমিশন বৈঠকে প্রস্তাব তুলতে সচিবালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সেপ্টেম্বরেই স্থানীয় সরকারের স্থগিত ভোটগুলো করে ফেলা হবে। অন্যগুলোর ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত নেবে ইসি।

এ বিষয়ে ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্ম সচিব মোঃ ফরহাদ আহাম্মদ খান গণমাধ্যমকে জানান, স্থগিত হয়ে যাওয়া ইউপি ও পৌরসভার ভোটগুলো এখনই করে ফেলা হবে। এক্ষেত্রে ২৩ আগস্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আগস্টে তো কোনো নির্বাচন করা যাবে না। তাই সেপ্টেম্বরে হাতে কিছুটা সময় রেখেই স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোর তারিখ নির্ধারণ হতে পারে। এক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে কোন জেলায় বর্তমানে করোনা পরিস্থিতি কী অবস্থায় আছে।

তিনি বলেন, স্থগিত নির্বাচনের ভোট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সংশ্লিষ্ট জেলায় ভোট হবে না। আর পরিস্থিতির উন্নতি হলে ভোটগ্রহণ করা হবে। পরেও জেলাভিত্তিক করোনা পরিস্থিতি উন্নতির ওপর ভোটের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।

গত ৭ মার্চ দেশের ৩৭১টি ইউপিতে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণের জন্য ও ১১টি পৌরসভায় ষষ্ঠ ধাপের ভোটগ্রহণের জন্য ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণের জন্য ১১ এপ্রিল তারিখ দেয় ইসি। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভোটের ১০ দিন আগে নির্বাচন স্থগিত করা হয়। এর মধ্যে প্রার্থিতা চূড়ান্তকরণ, প্রতীক বরাদ্দ; এমনকি প্রচারও শুরু হয়ে যায়।

পরে গত ২ জুন পুনরায় ভোট করার জন্য ২১ জুন তারিখ দেয় ইসি। এতে আপত্তি জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলো ভোট না করার জন্য ইসিতে চিঠি দেয়। সে চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ জুন পুনরায় অধিক সংক্রমণ ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলোর ভোট স্থগিত করে কমিশন। ফলে গত ২১ জুন প্রথম ধাপে ২০৪টি ইউপিতে, ষষ্ঠ ধাপের দু’টি পৌরসভায় এবং লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ভোটগ্রহণ করে ইসি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

আরো সংবাদ পড়ুন

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
© সর্বসত্ব সংরক্ষিত 2023 WorldVoice24 || All Rights Reserved.